ঘরে বসে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম 2024 | ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম : ঘরে বসে ভোটার আইডি কার্ড চেক/ সংশোধন করবেন যেভাবে | NID Card Check/ Correction Online BD At Home – 2023 এখন থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ঘরে বসে করতে পারবেন । 

বর্তমানে সারাবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ ও অনলাইন জগতে এগিয়ে চলছে।

সারা বিশ্বের ন্যয় বাংলাদেশের  বিভিন্ন দফতরের সবকিছু এখন অনলাইনে চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন NID কাডের্র সকল সেবা এখন থেকে অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে।

তাই এখন আপনি চাইলেই ঘরে বসেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড/ NID কার্ড সংশোধন/ ডাউনলোড করতে পারবেন। তো আজকের আর্টিকেলটি পরার পর আপনি আপনার আইটি কার্ড ডাউনলোড করতে চেষ্টা করতে দেখতে পারেন।

ঘরে বসে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম

অনলাইনে NID সংশোধন এর জন্য প্রথমে আপনাকে নির্বাচন কমিশনার অফিসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আপনার ভোটার আইডি কার্ড/ NID এর তথ্য ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

অতপরঃ নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে সংশোধনের আবেদন করতে হবে। আমরা ধাপে ধাপে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার নিয়মগুলো আলোচনা করব।

ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন রেজিস্ট্রেশন:

 

 

ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য প্রথমে আপনাকে এই লিংকটি https://services.nidw.gov.bd/   ক্লিক করুন।

এরপর আপনার NID নাম্বার, জন্ম তারিখ এবং একটি ক্যাপচার কোড ইত্যাদি প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফিলাপ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করবেন।

তারপর আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সিলেক্ট দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। তারপর একটি সচল মোবাইল নাম্বার দিন ও বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করুন।

তাৎক্ষনিক আপনার মোবাইলে ছয় সখ্যার একটা কোড পাবেন এটা বসিয়ে বহাল বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আপনাকে একটা পাসওয়ার্ড সেট করতে বলবে ।

আপনি চাইলে পাসওয়ার্ড সেট করতেও পারেন না চাইলে এড়িয়েও যেতে পারেন। সর্বশেষ আপনার প্রয়োজনীয় সকল তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন কাজ সম্পন্ন হল।

কিভাবে নিজেই মোবাইল দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন? 

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর জন্য আবেদন:

অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন,  অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য, NID Card Correction- এর জন্য প্রথমে আপনাকে  উপরোল্লিখিত নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন অফিসের অফিসিয়াল লিংক এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

তারপর আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন। অতপর আপনার প্রোফাইলে গিয়ে এডিট অপশন এ ক্লিক করুন।

অতপর আপনার যা কিছু সংশোধন এর প্রয়োজন সবকিছু সংশোধন করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যা যা সংশোধন করেছেন তার বিস্তারিত দেখতে পারবেন।

সবকিছু ঠিক থাকলে আপনি পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন। তারপর আপনার সার্ভিস চার্জ জমা দেওয়ার জন্য পরবর্তী বাটনে ক্লিক করলে আপনার ফি এর পরিমাণ দেখাবে যা আপনাকে পেমেন্ট করতে হবে।

ঘরে বসেই ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন ঘরে বসে

এখন থেকে আপনি চাইলেই আপনার অথবা আপনার আত্মীয়স্বজনের ভোটার আইডি কার্ডটি নিজেই মোবাইল দিয়ে ডাউনলোড করতে নিতে পারবেন খুব সহজেই।

আত্মীয় স্বজনদের প্রয়োজনে তাদের ভোটার আইডি কার্ডটি বের করতে আপনি সহযোগিতা করতে পারেন। মোবাইল দিয়ে খুব সহবেই ভোটার আইড কার্ড চেক /ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

টাকা জমা দানের পরবর্তীতে করণীয় কাজ:

সঠিকভাবে টাকা জমা দেওয়ার পর আপনাকে আবারো পরবর্তী বাটন অপশন এ ক্লিক করতে হবে। এখন আপনার সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্কেন করে সংযোক্ত করে দিতে হবে।

কাগজপত্র সংযোক্ত করা হলে আপনাকে আবারো পরবর্তী বাটন অপশনে ক্লিক করতে হবে এবং আপনি আপনার আবেদনের ফাইনাল রিভিও দেখতে পাবেন। আপনার সবকিছু সঠিক থাকলে সাবমিট বাটন অপশনে ক্লিক করবেন। এখানেই আপনার কাজ শেষ।

যে সকল মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড এর টাকা জমা দেওয়া যাবে:

  • ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিং রকেট-এর মাধ্যমে।
  • ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড এবং  মোবাইল ব্যাংকিং ওকে ওয়ালেট এর মাধ্যমে।
  • ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং  মোবাইল ব্যাংকিং টি-ক্যাশ-এর মাধ্যমে।
  • মিউচুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড এর মাধ্যমে।
  • বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড এর মাধ্যমে।

আপনি সাবমিটে অপশনে ক্লিক করার সাথে সাথেই আপনাকে NID কার্ড এর হোম পেইজে নিযে আসবে তখন আপনি প্রোফাইলে ক্লিক করলে দেখবেন যে আপনার একটি আবেদন পেন্ডীং রয়েছে লেখা।

এবং তার পাশেই ডাউনলোড অপশন দেখতে পারবেন। এখন ডাউনলোড অপশন এ ক্লিক করে আপনি সংশোধন কপিটা ডাউনলোড করে সংরক্ষন করে রাখবেন।

আর সাথে সাথে আপনি অপেক্ষায় থাকবেন যে কবে মোবাইলে এসএমএস পান। অর্থাৎ আপনার ভোটার আইডি কার্ড টি ঠিক হয়ে গেলে আপনাকে মোবাইলের এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

তারপর আপনার আইডিতে লগইন করে আপনার ফেস স্কেন করে আপনার সংশোধিত ভোটার/ NID আইডি কার্ড টি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

মনে রাখবেন,  যদি কোন কারনবশত আপনার সংশোধন আবেদনটি পেন্ডিং-এ রয়ে যায় তাহলে আপনি ১০৫ এ ডায়াল করে আপনার আবেদনের বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

আবেদনের পর আপনার সংশোধনের বিষয়টি যদি আপনার দাখিলকৃত কাগজপত্র বা অন্যকোন তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তুষ্টজনক মনে না হয় তাহলে তারা আরো কিছু কাগজপত্র চাইতে পারে।

তারা যা চাইবে তা আপনাকে ম্যাসেজ এর মাধ্যমে জানিয়ে দিবে।   যদি কোন কাগজপত্র সংযোক্ত করতে বলে তবে পূর্বের ন্যায় আবার নতুন করে সংযুক্ত করে আবেদনটি সাবমিট করতে হবে।

তারপর আবারো মোবাইলে মেসেজ এর অপেক্ষায় থাকবেন আর ফাইনালি সংশোধন এর মেসেজ পেলে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিবেন।

ভোটার আইডি নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর:

ভোটার আইডি নিয়ে কিছু গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

প্রশ্ন: ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন লাগবে?

উত্তর: ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সাধারণত 03 মাস থেকে 06 মাস সময় লাগে।

প্রশ্ন:  মোবাইল দিয়ে কি ভোটার আইডি কার্ড চেক করা যায়?

উত্তর:  হ্যা, অবশ্যই আপনার মোবাইল দিয়ে আপনি আপনার ভোটার বা এনআইডি কার্ড চেক করতে পারবেন খুব সহজেই। উপরের দেওয়া নিয়মগুলো অনুসরণ করে।

প্রশ্ন: ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে?

উত্তর: ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের টাকা ভিন্ন হয়ে থাকে। অর্থাৎ সংশোধন অনুযায়ী সংশোধনের ফি জমা দিতে হয়।

ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে আজকের শেষ কথা,

বন্ধুরা আশাকরি আপনারা ঘরে বসে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম 2024 | ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন ।

আর্টিকেলটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্ট করুন ।

আর যদি আর্টিকেলটি ভালো লাগে তাহলে শেয়ার করুন ।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *